বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, আশ্বিন ২০ ১৪২৯

মানিকগঞ্জ নিউজ ২৪ :: ManikganjNews24 - মানিকগঞ্জের খবর

জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ খুন

প্রকাশিত: ১২:২১, ২৫ জুলাই ২০২২

জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ খুন

সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের খান পাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভুয়া মামলায় পুলিশের ভয়ে পালিয়ে গিয়ে পর দিন এক বৃদ্ধা হত্যার শিকার হয়েছে। রবিবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে হয়ে বাড়ির অদূরে ঘাস খেতে তার নিথর দেহ পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে হত্যার শিকার হাজি যদু খান (৭৫) নামের ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেন থানা পুলিশ।

 

খুন হওয়া হাজি যদু খান ওই গ্রামের মৃত আব্দুল হালিম খানের পুত্র সন্তানের জনক। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের তিনি খুন হয়েছেন বলে নিহত যদু খানের পরিবারের দাবি

নিহতের পরিবার অভিযোগ করে বলেন , গভর্ণমেন্ট অফিসার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটিড প্রতিপক্ষ লোকজনের কাছ থেকে বিরোধপূর্ণ জমি ক্রয় করে ভেকু দিয়ে মাটি ভরাট করে দখলের চেষ্টা করেন। সময় নিহত হাজি যদু খানসহ তার পরিবারের লোকজন বাঁধা দেন। এতে গভর্ণমেন্ট অফিসার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির পক্ষ থেকে নিহতের ছেলেসহ জনের নাম উল্লেখ আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামী করে চাঁদাবাজির অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় শনিবার রাতে নিহতের ভাতিজা আছান খানকে পুলিশ গ্রেফতার করেন। নিহতের পরিবারসহ অন্য আসামিদের বাড়িতে গ্রেফতারে অভিযান চালান থানা পুলিশ। রাতেই পুলিশের ভয়ে অন্যত্রে গা-ঢাকা দেন হাজি যদু খানসহ মামলার অন্য আসামিরা। পরদিন রবিবার পালিয়ে থাকা পরিবারের অন্য লোকজন বাড়ি ফিরলেও বিকেলে হাজি যদু খানের লাশ মিলে বাড়ির অদূরে উত্তর পাশে ঘাস ক্ষেতে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় খলিল মিয়ার মেয়ে মরিয়ম জানান, দুপুরের দিকে মুখোশধারী ৪ব্যক্তি লাশটি ফেলে রেখে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। তার চিৎকারে এলাকার লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেন।

 

নিহতের ছোট ছেলে আতাল হক খান বলেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির পাশাপাশি প্রতিপক্ষদের দিয়ে আমার বাবাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। নিমর্ম হত্যাকান্ডের বিচার দাবী করেন তিনি

 

এদিকে, স্থানীয়রা লাশের গলায় বাম চোখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন। তবে সিংগা্ইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হানিফ জানিয়েছেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট ছাড়া কিছুই বলা যাচ্ছেনা। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। জড়িত কেউ গ্রেফতার হয়নি। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খানসহ পুলিশের অন্য কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

 

শেয়ার করুন:
Right Side Advertisement

সর্বাধিক জনপ্রিয়